“নিমন্ত্রণ”

শিল্পী আবু নাসের রবি ও জয়দেব রোয়াজা

সময়ঃ ২৮ জুলাই, বিকেল ৫ ঘটিকা, মানিক মিয়া এভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের ফুটপাত এলাকা।
মুল অনুষ্ঠানঃ “শিল্পের শহর ঢাকা” ( আসন্ন এশিয়ান আর্ট বিয়েনালে -১৮ এর একটি আগাম প্রকল্প)
আয়োজকঃ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, ঢাকা।
প্রোগ্রাম কিউরেটরঃ শিল্পী মাহবুবুর রাহমান
প্রোগ্রাম ডিরেক্টরঃ লিয়াকত আলী লাকি

ধারণা সুত্রঃ
বাঙালি অতিথি পরায়ন জাতি, আমরা নিমন্ত্রন কে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা উল্যেখযোগ্য বিনোদন হিসেবেই বিবেচনা করি, শিল্পের শহর শিরোনামের এই অনুষ্ঠান মূলত নিমন্ত্রন ধর্মী অনুষ্ঠান, আগামী এশিয়ান বিয়ানাল এর আসরে জনগণকে বিপুল ভাবে নিমন্ত্রনের চিন্তা থেকে এর উদ্যোগ, এই বাস্তবতা মাথায় রেখে, শিল্পী জয়দেব রোয়জা এবং আবু নাসের রবি নিমন্ত্রন শিরোনামের একটি ধারাবাহিক গণ সম্পৃক্ত পারফরমেঞ্চ শিল্প পরিকল্পনা করেছেন।
এই পরিকল্পনায় ৫ বিবেচ্য বিষয়ঃ

১। শিল্পের একটি বড় ইভেন্ট সম্পর্কে জনগণ কে নিমন্ত্রণের স্ববলীল ব্যপার কে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সামনে নিয়ে আশা।
২। জাতীয় ফল কাঁঠাল কে তুলে ধরা, এবং এর মাধ্যমে নিমন্ত্রণের প্রাথমিক উষ্ণতা শেয়ার করা।
৩। সমসাময়িক সমাজ বাস্তবতার সাথে আজগুবি বা অড অভিব্যক্তির মাধ্যমে মজা করার ভিতর দিয়ে রাজনৈতিক ভাষ্য তৈরি করা।
৪। কাঁঠাল একটা সহজ লভ্য এবং উপকারি ফল, যা দেশের সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় আছে এখনো, স্ট্রিট ফুড হিসেবে এর তেমন প্রচলন নাই, এই কর্মকাণ্ডে খোলা জায়গায় শহরের ব্যস্ত পরিসরে সহজে কাঁঠাল খাওয়ার উপযোগীতা নিয়ে একটা পরীক্ষা মূলক অনুসন্ধান ও পরিচালিত হবে, হতে পারে এই অভিজ্ঞতা থেকে দর্শকদের মধ্যে ইতি বাচক ধারনার জন্ম দিতেও পারে।
৫। কাঁঠাল সম্পর্কিত গণ আভিমত সংগ্রহ ও বিকাশ।
কর্মকাণ্ডঃ
পরিকল্পনায় জাতীয় ফল কাঁঠাল, কাঁঠাল সম্পর্কিত নানান অভিজ্ঞতা বিনিময়, কাঁঠাল বিষয়ক খেলা ধুলা, এবং কাঁঠালের স্বাদ আদান প্রদানের এক ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে, এক্ষেত্রে উল্ল্যখ করা যেতে পারে শিল্পী দ্বয় একে অপেরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙবেন এবং তা উপস্থিত দর্শকদের খাওয়ার জন্যে বিলি বণ্টন করবেন, এজাতীয় আরও কর্মকাণ্ড এই প্রকল্পে সৃজনশীল প্রক্রিয়ায় চলমান থাকবে, এবং সাথে সাথে ইনভাইটেশন এর জন্যে মূল প্রোগ্রামের যে প্রচার পত্র ছাপা হচ্ছে তা কাঁঠাল খাওয়ার উৎসবে অংশগ্রহণকারি দর্শকদের মাঝে বিতরণ করা হবে, শিল্পী গণ উপস্থিত দর্শকদের সাথে কুশলাদি বিনিময়য় করবেন, এবং সেলফি সংগ্রহ করবেন, পরবর্তীতে এই সব সেলফি বা পাব্লিক প্রতিকৃতি জুড়ে দিয়ে একটা বড় কাঁঠাল নির্মাণের চেষ্টা করা হবে এশিয়ানের মূল অনুষ্ঠানে, এই কাঁঠালি কর্মকাণ্ড মূল অনুস্থানের উদ্ভধনের সময়, ও সমাপ্তির সময় ও পরিচালনা করার অভিপ্রায় আছে শিল্পী গনের।